Monday, June 15, 2020

আজকাল মশারাও চালাক হয়ে গেছে। কয়েল জ্বালালে তারা কাছে ঘেঁষে না, আবার অ্যারোসল ব্যবহার করলে কিছুক্ষণ অচেতন থেকে পুনরায় উঠে আসে। কোনোটায় তেমন কাজ হয়না। তবে, হ্যাঁ, আদিকাল থেকে আমাদের পূর্বপুরুষদের সময়কার কথা বিবেচনা করলে বলা যায়, অবশ্যই মশা তাড়ানোর নানা উপায় অবলম্বন করা হতো। প্রাকৃতিকভাবে মশা তাড়ানোর সেরকম কিছু বিকল্প, যেগুলো ঔষুধি গুণাগুণের পাশাপাশি অর্ণামেন্টাল প্লান্ট হিসেবে আপনার ঘরের সৌন্দর্য বর্ধন করবে-
১। তুলসী
মশার বিরাট অপছন্দের সুগন্ধ হলো তুলসী। তাই দরজা-জানালার পাশে তুলসী গাছের উপস্থিতি মশার উপস্থিতিকে ভীষণ বিরক্ত করে।
এছাড়াও মশার কামড়ে দাগ পড়ে যাওয়া স্থানে তুলসী পাতার রস দারুণ কার্যকর।
২। ক্যাটনিপ
আপনার ঘরে যদি বিড়াল থেকে থাকে তাহলে কথাই নেই, আজই নিয়ে আসতে পারেন এটি আপনার বাসায়। এই গাছ যদি আপনার বাগানে থাকে, তবে কয়টা ডাল ভেঙ্গে সন্ধ্যার আগে দরজা-জানালার পাশে রেখে দিতে পারেন। শুধুই মশারা বিরক্ত হবে তাই নয়, অন্যান্য পোকামাকর এর উপদ্রব থেকে রেহায় দিবে আপনার ঘরকে।
৩। ফিভারফিউ
আপনার বাগানে বেশী করে ফিভারফিউ লাগান, মশা বাদে অন্যরাও আপনার আঙ্গিনার আশপাশে আসবেনা। আর প্রতিদিন সকালবেলা কয়েক গুচ্ছ ডাল এনে ঠিক ছবির মতো করে সাজিয়ে রেখে পরেরদিন সকাল পর্যন্ত রেখে আবার নতুন গুচ্ছ দিয়ে সাজিয়ে রাখবেন। এক ঢিলে ২ পাখি মারা হয়ে গেলো।
৪। লেমনবাম
বাসায় বসেই লেমন বাম গাছের টবে লাগানো যেতে পারে। অতি সহজ, কম যত্নে।
৫। রোজমেরী
অনলাইনে অর্ডার করতে পারেন। অনেকে বিশ্বাস করে, রোজমেরি অনেকটা ইউক্যালিপটাস তেলের মতো কাজ করে।
- তাছাড়া, রসুন, লেমন গ্রাস, ল্যাভেন্ডার, অরিগানো গাছের টব রাখতে পারেন।

Monday, June 8, 2020

সাহাবী গাছঃ
বিস্ময়কর ১৫০০ বছরের সাহাবি গাছ। শুনতে অবাক লাগে আজো বেঁচে আছে গাছটি। পৃথিবীতে এত পুরনো কোনো গাছ এত বছর এখনো বেঁচে আছে কি না জানিনা। আর তেমনই একটি প্রমাণ হচ্ছে সাহাবি গাছ। যাকে ইংরেজিতে বলা হয় The Blessed Tree।
সাহাবি গাছ এমনই একটি গাছ যে গাছটি অবিশ্বাস্যভাবে শত বর্গ কিলোমিটার জুড়ে বেষ্টিত মরুভূমিতে গত ১৫০০ বছর ধরে একাই দাঁড়িয়ে আছে। মরুভূমির রুক্ষ পরিবেশের কারণে জন্ম থেকেই এই গাছটি ছিল পাতাহীন শুকনো কিন্তু এক সময় আল্লাহর হুকুমে গাছটি সবুজ পাতায় ভরে উঠে এবং আজ পর্যন্ত গাছটি সবুজ শ্যামল অবস্থায় আছে।অবিশ্বাস্য এই গাছটি জর্ডানের মরুভূমির অভ্যন্তরে সাফাঈ এলাকায় অবস্থিত। জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ সর্বপ্রথম এই স্থানটিকে পবিত্র স্থান হিসেবে ঘোষণা দেন।
৫৮২ খ্রিস্টাব্দে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর বয়স তখন ১২ বছর। তিনি তাঁর চাচা আবু তালিবের সঙ্গে বাণিজ্য উপলক্ষে তৎকালীন শাম বা সিরিয়ার উদ্দেশে মক্কা থেকে যাত্রা করেন। তাদের পরিভ্রমণের পথে তাঁরা সিরিয়ার অদূরে জর্ডানে এসে উপস্থিত হন। জর্ডানের সেই এলাকাটি ছিল শত শত মাইলব্যাপী বিস্তৃত উত্তপ্ত বালুকাময় এক মরুভূমি। মোহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর চাচা আবু তালিব মরুভূমি পাড়ি দেয়ার সময় ক্লান্ত হয়ে একটু বিশ্রামের জায়গা খুঁজছিলেন। কিন্তু আশে পাশে তারা কোনো বসার জায়গা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। চারদিকে যত দূর চোখ যায় তাঁরা তাকিয়ে কোনো বৃক্ষরাজির সন্ধান পেলেন না। কিন্তু দূরে একটি মৃত প্রায় গাছ দেখতে পেলেন। উত্তপ্ত মরুভূমির মাঝে গাছটি ছিল লতাপাতাহীন শীর্ণ ও মৃত প্রায়। শেষে উপায় না পেয়ে তারা মরুভূমির উত্তাপে শীর্ণ পাতাহীন সেই গাছের তলায় বসেন।
উল্লেখ্য, রাসূল মোহাম্মদ (সা.) যখন পথ চলতেন তখন আল্লাহর নির্দেশে মেঘমালা তাকে ছায়া দিতো এবং বৃক্ষরাজি তার দিকে হেলে পড়ে ছায়া দিতো। মোহাম্মদ (সা.) তার চাচাকে নিয়ে যখন গাছের তলায় বসেছিলেন তখন তাদের ছায়া
প্রদানের জন্য আল্লাহর নির্দেশে মৃতপ্রায় গাছটি সজীব হয়ে উঠে এবং গাছটির সমস্ত ডাল-পালা সবুজ পাতায় ভরে উঠে। আর সেই গাছটিই বর্তমানে সাহাবি গাছ নামে পরিচিত। দূরে দাঁড়িয়ে জারজিস ওরফে বুহাইরা নামে একজন খ্রিস্টান পাদ্রি সবকিছু দেখছিলেন। আবু তালিব মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে পাদ্রীর কাছে গেলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো দিন এই গাছের নিচে কাউকে বসতে দেখিনি এবং এই গাছটিও ছিল পাতাহীন কিন্তু আজ গাছটি পাতায় পরিপূর্ণ। এই ছেলেটির নাম
কি? চাচা আবু তালিব উত্তর দিলেন মোহাম্মদ! পাদ্রী আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বাবার নাম কি?’ আব্দুল্লাহ!, ‘মাতার নাম?’ আমিনা! বালক মোহাম্মাদকে (সা.) দেখে এবং তার পরিচয় শুনে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পাদ্রীর চিনতে আর বাকি রইলো না যে এই সেই বহু প্রতীক্ষিত শেষ নবী মোহাম্মদ। পাদ্রী চাচা আবু তালিবকে ডেকে বললেন, ‘তোমার সঙ্গে এই বালকটি সারা জগতের সর্দার, সারা বিশ্বের নেতা এবং সেই হবে এই জগতের শেষ নবী। আমি তার সম্পর্কে বাইবেলে পড়েছি এবং আমি ঘোষণা দিচ্ছি
এই বালকটিই শেষ নবী।’ সাহাবী গাছ সেই ১৫০০ বছর আগ থেকে আজ পর্যন্ত সেইভাবেই জর্ডানের মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে আছে। আজও গাছটি সবুজ লতা- পাতায় ভরা এবং সতেজ ও সবুজ।
আশ্চর্যের বিষয় এই যে এই গাছটি যেখানে অবস্থিত তেমন মরূদ্যানে কোনো গাছ বেঁচে থাকা সম্ভব নয় এবং এই গাছটির আশে-পাশে কয়েকশ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে আর কোনো গাছ নেই। গাছটির চারিধারে দিগন্ত জোড়া শুধুই মরুভূমি আর মরুভূমি। উত্তপ্ত বালুকাময় মরুভূমির মাঝে গাছটি একাই দাঁড়িয়ে থেকে আল্লাহর অসীম ক্ষমতার সাক্ষ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং সেই সঙ্গে প্রিয় রাসূল মোহাম্মদের (সা.) স্মৃতি আঁকড়ে ধরে রেখেছে। যা অবিশ্বাসীদের জন্য উৎকৃষ্ট নিদর্শন।

Tuesday, May 19, 2020

পৃথিবী নিয়ে কোরআনের বিস্ময়কর পাঁচ তথ্য
পবিত্র কোরআন সত্যিই একগুচ্ছ বিস্ময়ের সমষ্টি। অক্ষর থেকে শব্দ, শব্দ থেকে বাক্য অজানা সব জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্মুক্ত বিশ্বকোষ। তেমনি যে গ্রহে বসবাস করি, অর্থাৎ পৃথিবী এ সম্পর্কেও কোরআনে রয়েছে বৃহৎ তথ্যভাণ্ডার। মহান আল্লাহ বলেন, বিশ্বাসীদের জন্য পৃথিবীতে অসংখ্য নিদর্শনাবলি রয়েছে। (সুরা : জারিয়াত, আয়াত : ২৩)
তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি বিস্ময়কর তথ্য এখানে উল্লেখ করা হলো—
মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে পৃথিবীর সূচনা
খুব বেশি দিনের কথা নয় যে মানুষ জানতে পেরেছে মহাবিশ্বের সূচনা এক মহাবিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ঘটেছে। আইনস্টাইনের ক্ষেত্র সমীকরণ থেকে ফ্রিদমান সমীকরণ। তার পর বিশ্বতত্ত্ব নীতি এবং হোবল নীতি। সর্বশেষ ১৯৬০ সালে মহাজাগতিক অণুতরঙ্গের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিজ্ঞান যখন ক্লান্ত, তখন দেখা গেল আজ থেকে প্রায় এক হাজার ৫০০ বছর আগেই বিশ্বস্রষ্টা তাঁর মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে এ ব্যাপারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। 'যারা কুফরী করে তারা কি ভেবে দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমীন ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিল , অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম, আর আমি সকল প্রাণবান জিনিসকে পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। তবুও কি তারা ঈমান আনবে না?' (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৩০)
পৃথিবীর সৃষ্টি মহাকাশ সৃষ্টির আগে
মহাকাশ নাকি পৃথিবী? আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র, নাকি পৃথিবীর গাছপালা, কোনটি আগে সৃষ্টি হয়েছে? উত্তর খুঁজতে বেশি দূর যেতে হবে না। আপনার ঘরের পবিত্র কোরআন খণ্ডটি হাতে নিন। তাতে চোখ বুলালেই দেখতে পাবেন, ‘আপনি বলুন, সত্যিই কি তোমরা সেই মহাপ্রভুকে অস্বীকার করছ! যিনি পৃথিবীকে মাত্র দুদিনে সৃষ্টি করেছেন এবং তার অংশীদার নির্ধারণ করছ? তিনি তো সমস্ত জগতের প্রতিপালক। যিনি পৃথিবীতে তার উপরাংশে পাহাড় স্থাপন করেছেন এবং জমিনের ভিতরাংশ বরকতপূর্ণ করেছেন আর ভূগর্ভে সুষমরূপে খাদ্যদ্রব্য মজুদ করেছেন মাত্র চার দিনে। সব যাচনাকারীর জন্য সমানভাবে। অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন আর তা ছিল ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। (সুরা : ফুসিসলাত, আয়াত : ৯-১১) এখানে পর্যায়ক্রমে প্রথমে পৃথিবী সৃষ্টি এরপর ভূগর্ভস্থ বিষয়াবলির আলোচনার পর আসমানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পৃথিবীর পরিধি ক্রমে সংকীর্ণ হয়ে আসছে
পদার্থবিজ্ঞানীদের গবেষণামতে পৃথিবী তার সূচনালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ পানির এক-চতুর্থাংশ পানি হারিয়েছে।
বিজ্ঞানীদের ধারণামতে পৃথিবীর ভার বা ওজন (৫,৯৭২,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০) অর্থাৎ ৫ সেক্সটিলিয়ন ৯৭২ কুইন্টিলিয়ন। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে প্রতিবছর পৃথিবী তার মোট ওজন থেকে ৫০০ টন ভার হারাচ্ছে। এ ছাড়া অক্সিজেনের ভাগ প্রতিনিয়ত কমে আসাও হালের বিজ্ঞানীদের কাছে স্বীকৃত বিষয়। যা থেকে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে পৃথিবীর পরিধি ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। অন্যদিকে মহান আল্লাহ বলেন, ‘বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের বাপ-দাদাকে ভোগসম্বার দিয়েছিলাম, এমনকি তাদের আয়ুস্কালও দীর্ঘ হয়েছিল। তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে হ্রাস করে আনছি। এরপরও কি তারা বিজয়ী হবে?’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৪৪)
পৃথিবী দ্রুতগতিতে ছুটছে!
পবিত্র কোরআনে পৃথিবী স্থির কিংবা সূর্যের পাশে ঘূর্ণমান কোনোটিই বলা হয়নি। বরং এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে যা এসেছে তার সারকথা হলো, পৃথিবী আপন কক্ষপথে দ্রুতগতিতে সাঁতার কাটার মতো ঢেউ খেলে ছুটে চলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর চলন প্রকৃতি প্রধানত দুই ধরনের। প্রথমত, পৃথিবীর নিজস্ব ঘূর্ণায়ন যা ঘণ্টায় প্রায় এক হাজার ৬০০ কিলোমিটার। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘মহান আল্লাহ যিনি আসমান জমিন যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং দিনকে রাতের ওপর এবং রাতকে দিনের ওপর আচ্ছাদিত করেন।’ (সুরা : জুমার, আয়াত : ৫) আর এ কথা শিরোধার্য, কোনো বৃত্ত আকৃতির জিনিসকে অনুরূপ অন্য কোনো জিনিস দ্বারা বারবার আচ্ছাদিত করার জন্য, তা ঘূর্ণমান হওয়ার বিকল্প নেই। দ্বিতীয়ত, সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর সন্তরণ। বহুকাল যাবৎ মানুষ এ ধারণা পোষণ করে আসছে যে পৃথিবী সূর্যের পাশে ঘূর্ণমান। তবে খুব সাম্প্রতিক সময়ে মহাকাশ গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন যে সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর চলার ধরনটাকে ঘূর্ণন শব্দে ব্যাখ্যা করা যথাযথ নয়। বরং পৃথিবীসহ আরো অনেক গ্রহ উপগ্রহ সর্বদা সূর্যকে ঘিরে সাঁতার কাটার মতো ওপর-নিচ ঢেউ তুলে সম্মুখপানে অগ্রসর হচ্ছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে চন্দ্র, সূর্যের আলোচনা টেনে বলেন, প্রত্যেকেই আপন কক্ষপথে সন্তরণ করছে। (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৪০)
পৃথিবীর নিচে বিপুল পানির উৎস
টিউবওয়েল চেপে পানি তুলছেন কিংবা পাম্পের সাহায্যে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন ভূগর্ভের এই বিপুল পরিমাণ পানির উৎস কোথায়? তাহলে জেনে নিন, মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি আকাশ থেকে পরিমিতভাবে পানি বর্ষণ করেছি। অতঃপর আমি তা যমীনে সংরক্ষণ করেছি। আর অবশ্যই আমি সেটাকে অপসারণ করতেও সক্ষম।' (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ১৮)

কী করে গলায় আটকানো খাবার বা অন্য কোনো বস্তু চটজলদি বের করা যায়

হেমলিচ ম্যানুয়েভার
রেস্টুরেন্টে খেতে বসেছেন। পাশের লোকটি হুট করে কাশতে শুরু করেছে। পড়ি-মরি করে দম নেয়ার চেষ্টা করছে।
মাংসের টুকরো আটকে গেছে তার শ্বাসনালীতে। হাঁসফাঁস করছে শ্বাস নেয়ার জন্য। মনে হচ্ছে না ডাক্তার ডাকার সময় দিবে। এখন উপায়?
১৯৭৪ সালে ডঃ হেনরী হেমলিচ প্রথম দেখান কী করে গলায় আটকানো খাবার বা অন্য কোনো বস্তু চটজলদি বের করা যায়। তার নামানুসারে এ প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয় হেমলিচ ম্যানুয়েভার।
কীভাবে করবেন?
  • লোকটির পিছন দিক দিয়ে কোমরের চারপাশে দু'হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন।
  • একহাতে মুঠো বন্ধ করে, আপনার বুড়ো আঙুলের দিকটা লোকটির পাঁজরের নিচে, ঠিক পেটের উপরের দিকে চেপে ধরুন।
  • অন্য হাতটি মুঠোর উপর রেখে লোকটির পেটের উপরিভাগে জোরে চাপ দিন।
  • যতক্ষণ না খাবারের টুকরো বা বস্তুটি মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসছে ততক্ষণ করতে থাকুন।
হাহ! লোকটি সে সময়ও দিলো কই! এর মধ্যেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। এখন কী করা?
  • চিৎ করে শুইয়ে দিন।
  • কোমরের দু দিকে হাঁটু মুড়ে বসে পড়ুন।
  • একটা হাতের ওপর আরেকটা হাত রেখে তার পেটের উপর দিকে ঠিক পাঁজরের নিচে, চেপে ধরুন।
  • তারপর দু'হাত একইভাবে রেখে দ্রুত চাপ দিতে থাকুন।
  • বের না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই করতে থাকুন।
ছোট বাচ্চা হলে কি আর এভাবে জোরে জোরে চাপ দেয়া যাবে?
  • বাচ্চাটিকে শক্ত কিছুর উপর শুইয়ে দিন। নিজের কোলেও বসাতে পারেন।
  • দু'হাতের তর্জনী ও মধ্যমা একসাথে শিশুটির পাঁজরের নিচে এবং নাভীর উপর রাখুন।
  • ওভাবে দু'হাতের আঙ্গুল দিয়ে একসাথে পেটের উপরিভাগে চাপ দিতে থাকুন।
  • বের না হওয়া পর্যন্ত করতে থাকুন।
হুম, সবার গলা তো সাফ হল। এখন নিজের গলায় আটকালে, অন্য কেউ কখন আপনার উপর 'হেমলিচ ম্যানুয়েভার' চালাবে তার জন্য অপেক্ষা করবেন?
  • এক হাতে মুঠো বন্ধ করে, মুঠোর বুড়ো আঙুলের দিকটা আপনার পাঁজরের নিচে, নাভীর ঠিক উপরে চেপে ধরুন।
  • অন্য হাতটি মুঠোর উপর রেখে পেটের উপরিভাগে জোরে চাপ দিন।
  • বস্তুটি বের না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যান।
আরেকভাবে করতে পারেন :
  • কোনো চেয়ার, টেবিল বা শক্ত কিছুর উপর ভর দিয়ে ঝুঁকে দাঁড়ান।
  • পেটের উপরিভাগ দিয়ে চেয়ারের উপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকুন।
  • বস্তুটি বের না হওয়া পর্যন্ত করতে থাকুন।
চিত্রসূত্র : গুগল
আমি সাধারণত অনেক কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করি। একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়তো মাউস ই প্রধানত ব্যবহার করে থাকেন, আবার কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করলেও তা কেবল Cntrl+C আর Cntrl+V এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু এরকম কিছু কীবোর্ড শর্টকাট আছে যা হয়তো অনেকেই জানে না, কিন্তু সেগুলো জানা থাকলে আমার মতে কম্পিউটার ব্যবহার করা অনেক বেশি সহজসাধ্য হবে।
১। সাইড বাই সাইড উইন্ডো ভিউঃ অনেক সময়ই এমন হয় যে আমাদের একসাথে দুইটা (বা তারও বেশি) সফটওয়্যার চালানো প্রয়োজন হয়ে পরে। এই পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই উইন্ডোজের বিশেষ সুবিধা হলো এই সাইড বাই সাইড ভিউ। এটা ব্যবহার করতে আপনি শুধু উইন্ডোজ কী+যেকোন এরো কী একসাথে প্রেস করবেন। নিচের স্ক্রিনশটে আমি একসাথে ব্রাউজার এবং ফটোশপ ব্যবহার করার নমুনা দেখালাম।
২। দ্রুত একটা সফটওয়্যার থেকে আরেকটা তে যাওয়াঃ এজন্যে একসাথে Alt+Tab প্রেস করুন। এতে করে দ্রুত আগের ব্যবহার করা সফটওয়্যার এ ফেরত যেতে পারবেন।
৩। ব্রাউজারে ভুলবশত কেটে দেওয়া ট্যাব ফেরত আনাঃ ব্রাউজারে হঠাৎ ভুলবশত কোন ট্যাব কেটে দিলে Cntrl+Shift+T একসাথে প্রেস করলেই কেটে দেওয়া ট্যাব টি ফেরত চলে আসবে।
৪। একসাথে সবগুলো উইন্ডো মিনিমাইজ করাঃ দ্রুত সবগুলো উইন্ডো একসাথে মিনিমাইজ করার জন্যে WIndows key+D প্রেস করুন বা টাস্কাবারের সবথেকে ডান কোণায় মাউস দিয়ে ক্লিক করুন।
৫। উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার ওপেন করার জন্যে Windows key+E প্রেস করুন।
৬। দ্রুত কম্পিউটার লক করে ফেলতে Windows key+L প্রেস করুন।
৭। যেকোন সফটওয়্যার কে টার্মিনেট করার জন্যে Alt+F4 প্রেস করতে পারেন।
৮। টাস্ক ম্যানেজার নিয়ে আসার জন্যে Cntrl+Shift+Esc একসাথে প্রেস করুন। এই শর্টকাট কোন সফটওয়্যার রেসপন্স না করলে বেশ কাজে দেয়।
ঠিক কীবোর্ড শর্টকাট না হলেও আরেকটা ফিচার বেশ উপকারী। তা হলো কোন নির্দিষ্ট শব্দ সিলেক্ট করতে হলে ঐ শব্দের উপরে মাউস রেখে ডাবল ক্লিক করলেই সেটা সিলেক্ট হয়ে যায়। আবার পরপর তিনটা ক্লিক করলে ঐ বাক্যটি সিলেক্ট হবে।
প্রায় ৯৩ হাজার বন্দী পাকিস্তানি-দের কপালে খুব খারাপ কিছু ঘটেনি । কারণ তাদের-কে ঐতিহাসিল 'শিমলা' চুক্তির মাধ্যমে ভারত থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয় ।
এবার আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে এই 'শিমলা' চুক্তি আবার কি ? তাহলে চলুন বিস্তারিত জানা যাক -
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী ভারতীয় বাহিনীর নিকট অস্ত্র জমার মাধ্যমে পরাজয় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করে । তখন-ই পাকিস্তানি প্রায় ৯৩ হাজার বাহিনী ভারতের কাছে বন্দী হয়।
যুদ্ধের পরজায়কালীন সময়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ইয়াহিয়া খান । কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানে (বাংলাদেশে) তার সেনাদের পরাজয়ে সমস্ত পাকিস্তান জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং ইয়াহিয়া খানেকে ক্ষমতাচ্যুত করে গ্রেফতার করা হয়। এবং তখন ক্ষমতায় বসেন জুলফিকার আলী ভুট্
পাকিস্তানের জনগণ তখন তাদের বন্দী সেনাদের জীবিত ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে পরে এবং জুলফিকার আলী ভুট্টোর উপর জনগণ এবং বন্দী সেনাদের পরিবারের চাপ বাড়তে থাকে ।
জনগণের চাপ এবং ক্ষোভে ভারতের সাথে সম্মেলন এর বার্তা ভুট্টো নিজেই প্রদান করেন । ২-৩ জুলাই পাক-ভারত শীর্ষ সম্মেলন এবং চুক্তি ও স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয় ভারতের হিমাচল প্রদেশ এর 'শিমলা' নামক শহরে । মূলত এ থেকেই ঐতিহাসিল এ চুক্তির নাম হয় 'শিমলা চুক্তি' ।
শিমলা চুক্তির বিষয় :
  • শিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানী ৯৩ হাজার বন্দী সেনাদের ভারত ছেড়ে দিল , এই শর্তে যে তাদের বিচার পাকিস্তান নিজেই করবে যারা পূর্বপাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন অপরাধে জড়িত ছিল ।
  • দুই দেশ সম্মিলিত ভাবে নির্ণয় করলো ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে সর্বশেষ পাকিস্তান আর্মি ভারতীয় সেনাদের নিকট অস্ত্র সমর্পনের মাধ্যমে কাশ্মীর সীমান্তে যাদের সৈনিক যে অবস্থান গ্রহণ করেছে সেই সেই দেশের সীমানা মানা হবে । এই সীমানাকে ভারত পাকিস্তান এল.ও.সি বা লাইন আব কন্ট্রোল মেনে নিল ।
  • উপরন্তু, পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে ভারতীয় সৈনিক দ্বারা কজ্বাকৃত সীমানা ভারত ছেড়ে দিল বিনা শর্তে ।
  • ভবিষ্যতে ভারত পাকিস্তান কোন সমস্যা সমাধানে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা থেকে দুই দেশই বিরত থাকবে ।
  • দুই দেশর সেনারা কোন ভাবেই এল.ও.সি সীমানা অতিক্রম করবেনা ।
  • সাধারণ জনগণের আসা যাওয়ার জন্য বর্ডার থাকবে যাতে করে দুই দেশের জনগণের আত্বীয় পরিজনের সাথে মিলিত হতে পারে।

Sunday, May 17, 2020

  1. প্রেমের জ্বালে ফেঁসো না!
  2. শারীরিক সঙ্গম আনন্দের
  3. আর আনন্দ ক্ষণস্থায়ী
  4. সাময়িক আনন্দের উদ্দেশ্যে কারও জীবন ধ্বংস করোনা।
  5. শুধু এজন্যই সম্পর্কে যেও না, কেননা তোমার বন্ধুরাও সম্পর্কে আছে!
  6. বাস্তববাদী হও
  7. একতরফা প্রেম একটা ফাঁদ!
  8. ক্যারিয়ার প্রাধান্য দাও
  9. সবকিছুতে ভারসাম্য রাখো!
  10. সব উক্তিতে অন্ধবিশ্বাস কর না।
  11. সকল মানুষ বিশ্বাসযোগ্য নয়!
  12. কারোও প্রতিই অন্ধবিশ্বাস রেখোনা
  13. রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত নিও না
  14. সুখের উল্লাসে প্রতিশ্রুতি দিও না
  15. আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখ
  16. জোর করে কাউকে ধরে রেখো না
  17. জোর করা প্রেম/বন্ধুত্ব বেকার
  18. খাঁটি বন্ধুত্ব আর নেই (বুদ্ধি দিয়ে মানুষ যাচাই করো)
  19. তার সাথেই থাকো, যে তোমার পিছনে আছে!
  20. শুধু টাকার পিছনেই ছুটো না
  21. বাইরে থেকে দেখেই কাউকে পরখ করো না।
  22. তারিফ করতে শেখ
  23. নেগেটিভিটি থেকে দূরে থাকো (স্বজনপ্রীতি!)
  24. পিতা-মাতাকে শ্রদ্ধা কর।
  25. লক্ষ্যকে অনুসরণ কর।
  26. প্রতিদিন শরীরচর্চা কর।
  27. কেউ এড়িয়ে চলেছে? তাকে কখনোই আর বিরক্ত করোনা।
  28. দূরে সরেছে? দূরে যেতে দাও
  29. ইগনোর করেছে? আজীবনের জন্য যোগাযোগ বন্ধ করো
  30. কান্না করতে চাও? মন খুলে কান্না কর।
  31. আত্মবিশ্বাসকে পরখ করো না, যদি তুমিই সত্য হও।
  32. খোলা মনের হতে শেখো
  33. মনোযোগী হও ( যদিও বিষন্নতা পুরোপুরি দূর হয় না )
  34. লক্ষ্যকে ছোট না করে, চেষ্টাকে বাড়িয়ে দাও
  35. প্রয়োজনানুসারে হৃদয় ও মষ্তিষ্ককে কাজে লাগাও
  36. বন্ধুত্বের সার্কেল ছোট রাখো
  37. ইটস্ ওকে, যদি মন ভেঙে যায়
  38. পিছু ছুটো স্বপ্নের, মেয়েদের নয় ( মেয়ে হারিয়ে যাবেনা, সময় হারাবে)
  39. জ্ঞান শেয়ার করো, তবে ফ্রি নয় (ফ্রি জ্ঞানের কদর নাই)
  40. কথা কম বলো,শুনতে শেখো এবং তৎপর হও!
  41. অন্যের কাজে নাক গলিও না!
  42. শখের কিছু দক্ষতা অর্জন কর
  43. সে তোমাকে ইন্সটাগ্রামের ছবি দেখিয়ে আকৃষ্ট করতে চাইবে, তবে ছবি দেখতে তুমি বেছে নাও তার আইডি কার্ড 😁
  44. শেখ
  45. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবহারিক হও
  46. ইংরেজীর পাশাপাশি একাধিক ভাষা শেখ।
  47. টিকটক শুধুই সময় খরচের মাধ্যম
  48. পরিশ্রমে বিশ্বাসী হও, ভাগ্যে নয়!
  49. ভাগ্য ০.০০০০০১ % মাত্র
  50. ব্রেইনের খাদ্য হিসেবে বই বেছে নাও।
  51. জ্ঞানই সর্বাপেক্ষা উত্তম অস্ত্র!
  52. নামাজই সর্বাপেক্ষা উত্তম পরিশ্রম।
  53. পড়া-লেখা সর্বোৎকৃষ্ট অভ্যাস, যেটা রপ্ত করতে পারো!
  54. এই পোস্ট ডাউনভোট করবেন, যদি উপরের পয়েন্ট গুলো মিথ্যে হয় 😀
  55. আপভোট করবেন যদি সামান্যও ভালো লাগে 😋
  56. ভুল করেও ভাববেন না যে আমি উপরের পয়েন্টগুলোর সাথে পুরোপুরি মিলে যাই। কেননা "চোরে শুনেনা ধর্মের কাহিনী😆

Friday, May 15, 2020

কীভাবে একটি ওয়েবসাইট খোলা যায়।
একটি সাধারনমানের ওয়েবসাইট খোলার জন্য অনেক বেশি টেকনিক্যাল ঞ্জানের দরকার হয় না। আপনি সহজেই একটি ওয়েবসাইট খুলে সেটি আপনার ব্যক্তিগত কাজ বা ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়া বর্তমানে আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করে টুকটাক লেখালেখি করে গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে বা যে কোন তৃতীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিঞ্জাপন দিয়ে অর্থ উর্পাজন করতে পারেন।

তবে আমি বলবো প্রথমে আপনি অর্থ উর্পাজনের উদ্দেশ্য নিয়ে ওয়েবসাইট খুলবেন না। এতে করে আপনি বেশিদূর এগিয়েই যেতে পারবেন না।

প্রথমত আপনার উদ্দেশ্য থাকতে হবে ভালো কিছু কনটেন্ট পাবলিশ করা যেগুলো মানুষের উপকারে আসে। তারপর ধীরে ধীরে আপনার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা বাড়লে আপনি আপনি এমনি অর্থ উর্পাজন করতে পারবেন।

প্রথমে এমন হবে কেউ আপনার ওয়েবসাইট নাও দেখতে পারে। কোন ধরনের ট্রাফিক আসবে না। তখন হতাশ হবেন না। আপনার কনটেন্টের মান ভাল করুন। একটু পাবলিসিটি করুন ট্রাফিক এমনি আসবে।

প্রথমর এইটা ভাবলে হবে না যে এই ধরনের ওয়েবসাইট অনেক আছে আমার ওয়েবসাইটে কেন আসবে? কারন আপনি ভিন্ন আপনার কনটেন্ট ভিন্ন তাই অন্যরা আসবে। মনে রাখবেন আপনার প্রতিভা দিয়ে আপনি এগিয়ে যাবেন।

আমার এই পেজে A to Z জানাবো কি ভাবে আপনি একটা ওয়েবসাইট খুলে সেটি থেকে ইনকাম করবেন।

প্রথমে একটা কথা খুব বেশি পন্ডিত লোকের কাছে যাবেন না। এতে করে আপনি নিরুৎসাহিত হতে পারেন। কারন তারা আপনাকে নানা ধরনের ঞ্জান দিয়ে কনফিউজড করে দিবে।

অনেকে বলে বাংলা ওয়েবসাইট বা বাংলা ব্লগ অ্যাডসেন্স পেতে ঝামেলা বা অ্যাডসেন্স পেলেও ইনকাম কম কথা টা আংশিক ঠিক হলেও সম্পূর্ণ ঠিক নয় ।

বাংলা ওয়েবসাইট বা বাংলা ব্লগিং ও এখন অনেক জনপ্রিয়। বাংলা নিশ নিয়ে কাজ করলে আপনি সফলতা পাবেন যদি আপনার মধ্যে সেই প্রতিভাটুকু থাকে।

এখন আসল প্রসঙ্গে আসি কীভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন –

প্রথমত আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কি ধরনের ওয়েবসাইট খুলবেন বা কোন ধরনের টপিক বা নিশ নিয়ে কাজ করতে চান?

ভালো ফলাফল পেতে হলে আপনি যেই টপিক টা ভালো পারেন সেইটা নিয়ে কাজ শুরু করাই ভালো।

ওয়েবসাইট খুলতে হলে প্রথমে আপনাকে Domain name select করতে হবে। সাধারনত ওয়েবসাইটের নামটিকে Domain name বলা হয় যেমন আমার এই ওয়েবসাইটের নাম www.newsinallday.info এটি একটি Domain name.

Domain সর্ম্পকে বিস্তারিত জানতে কীভাবে কোথা থেকে Domain কিনবেন বিশদ জানতে এই লেখাটির উপর ক্লিক করুন।

Domain কেনার পর আপনার hosting কিনতে হবে। Hosting হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের তথ্য যেখানে জমা থাকবে যেমন ধরেন আমার এই কনটেন্টটি এবং এই কনটেন্টটির তথ্য যেখানে জমা আছে এটি একটি Hosting.

hosting মূলত কি? কীভাবে কাজ করে কোথা থেকে কিনবেন জানতে ক্লিক করুন।
Domain এবং hosting কেনা হয়ে গেলে আপনি এখন একটা ওয়েবসাইটের মালিক।এখন এই ওয়েবসাইটটিকে আপনার টপিক বা আপনার নিশের উপর ভিত্তি করে customize করতে হবে।

টেকনোলজি সম্পর্কে আপনার নূন্যতম ঞ্জান থাকলে আপনি নিজে একটি ওয়েবসাইট customize করতে পারেন। তবে চাইলে আপনি কোন প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট customize করতে পারেন।

ওয়েবসাইট customize করতে প্রথম দরকার একটি theme। theme সাধারনত paid এবং ফ্রি পাওয়া যায়। তবে যেইটাই হোক অবশ্যই mobile friendly এবং responsive theme ব্যবহার করতে হবে।
theme সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লেখাটিতে ক্লিক করুন।
কীভাবে SEO optimization করবেন.......
SEO Optimization একটা ওয়েবসাইটের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
SEO optimization হচ্ছে Google-এ আপনার ওয়েবসাইট বা আপনার নিশকে Search Engine এর টপে নিয়ে আসা অর্থাৎ google এ ranking করানো।
ধরেন আপনি কোন একটা নিশ বা টপিকের উপর ব্লগিং করছেন বা আর্টিকেল লিখছেন কিন্তু আপনার অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী আছে আপনার মত একই টপিক বা নিশ নিয়ে কাজ করে কিন্তু google এ search দিলে আপনার টা কি করে উপরে নিয়ে আসবেন এটার নামই Search Engine optimization বা SEO

Google এ search দিলে এমনি এমনি আপনার টপিক বা ওয়েবসাইট সবার উপরে চলে আসবে না এর জন্য আপনার ওয়েবসাইটে বা আটনার নিশকে SEO friendly করতে হবে।

SEO friendly article এর আরও একটি সুবিধা রয়েছে এটি google adsense পাওয়ার ক্ষেত্রেও আপনাকে অনেক সাহায্য করবে৷

এখন আসি কি করে একটা আর্টিকেলকে SEO friendly করবেন। wordpress এ সাধারনত yoast Seo tools plungin করে খুব সহজে একটা আর্টিকেল বা একটি ব্লগকে খুব সহজে seo Friendly করা যায়। তবে blog এর ক্ষেত্রে কয়েকটি জিনিস করে দিলেই আপনার পোস্টটি হয়ে যাবে seo friendly.

চলুন জেনে নেওয়া যাক কি করে একটা আর্টিকেলকে seo friendly বা কীভাবে seo optimization করবেন।
No -1 Title – Title অবশ্যই ৫০-৭০ character এ দেওয়ার চেষ্টা করবেন এবং title এ যেন আপনার keyword word টা থাকে। keyword word হচ্ছে যেইটা দিয়ে মানুষ google search করবে।

No- 2 Post – Post সাধারনত ৩০০ শব্দের হলেই seo friendly হয় কিন্তু আমি recommend করবো post যেন minimum ৫০০ শব্দের হয় বেশি হলে আরও ভালো। কপি পোস্ট বা রিরাইট বা অনুবাদ করা পোস্ট না দেওয়া ভালো।

No -3 Image – আর্টিকেল নির্ভর একটা image দিবেন এবং Image এ Alt text এ আপনার keyword বা focus word টি দিবেন।কপিরাইট image ব্যবহার করবেন না। অনেক free stock image আছে ওগুলো ব্যবহার করুন। free stock image পেতে এখানে ক্লিক করুন।

No-4 meta description – meta description দিবেন এবং ১৫০ chracter এর মধ্যে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। meta description এ আপনার আর্টিকেলের সারমর্মটি তুলে ধরুন তবে keyword বা focus word টি meta description এ রাখবেন।

No-5 internel link – আপনার পোস্টে বা আর্টিকেলে অবশ্যই internel link add করবেন। internel link হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের অন্য কোন পোস্টের link। youtube এ অনেক ভিডিও আছে কীভাবে internel link add করতে হয় দেখে নিবেন।

No-6 outbound link -আপনার পোস্টে outbound link add করবেন অর্থাৎ অন্য কোন ওয়েবসাইটের link। ধরেন আপনি কোথাও থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন সেটির link add করে দিন। outbound link ব্যবহার করলে আপনার পোস্টের বিশ্বস্ততা বাড়বে।

No-7 keyword আপনার keyword বা title আপনার পুরো পোস্টের মধ্যে ৩-৪ বার ব্যবহার করুন। এতে করে গুগলের আপনার পোস্টটি খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

No-8 Focus keyphrase google এর keyword tool planner দিয়ে আপনি focus keyphrase গুলো খুঁজে বের করবেন কোন টপিক মানুষ গুগলে বেশি খোঁজে সেই keyword এ post লিখলে খুব দ্রুত আপনার পোস্টটি রেংক করবে।

No-9 Heading আপনার পোস্টে বা আর্টিকেলে heading বা sub heading ব্যবহার করুন। heading বা sub heading seo এর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ

আশা করি উপরের টিপসগুলো ফলো করলে আপনার পোস্ট বা ওয়েবসাইট খুব শীঘ্রই গুগলে rank করবে।

আরও কোন তথ্য জানার থাকলে আমাকে মেইল করুন আমি পোস্ট দেওয়ার চেষ্টা করবো।

Read more –কীভাবে একটি ওয়েবসাইট খুলে ইনকাম করবেন?
Read more- কখন আপনার ব্লগের জন্য google adsense apply করবেন?
1) ‘উইলিয়াম সেক্সপিয়ার’ তার জন্মদিনে মৃত্যু বরণ করেছিলেন!
2) হাতি একমাত্র প্রাণী যে কিনা বেচারা লাফাতে পারে না।
3) চোখ খোলা রেখে হাঁচি দেয়া অসম্ভব..!!
4) আঙুলের ছাপের মতন প্রত্যেক মানুষের জিহ্বার ছাপও ভিন্ন হয়।
5) আজ পর্যন্ত যতো মানুষ মারা গেছে, তার তুলনায় বর্তমানে বেঁচে আছে এমন মানুষের সংখ্যা বেশি..!!
6) আপনার জানা আছে কি, উট পাখির একটি ডিম মুরগির ডিমের চেয়ে ২৪ গুণ বড়…!!
7) আপনার জানা আছে কি, চীন দেশে কোন জাতীয় ফুল ও পাখি নেই..!!
8) আপনি কি জানেন, পশুদের মধ্যে জিরাফের জিহ্বা সবচেয়ে কালো..!
9) পাবলিক টয়লেট বা বাথরুম ব্যবহার করার পর বিশ্বের ৪২ শতাংশ পুরুষ এবং ২৫ শতাংশ নারীই তাদের হাত পরিষ্কার করেন না।
10) হাঁসের প্যাঁক প্যাঁক শব্দ কখনো প্রতিধ্বনিত হয় না।
11) আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল কখনো তার মা কিংবা তার স্ত্রীকে ফোন করেননি। কেননা তারা দুজনেই বধির ছিলেন।
12) ইংলিশ হ্যাপি বার্থডে গানটির লেখাস্বত্ব রয়েছে।
13) উত্তর আমেরিকার ‘গোল্ডফিঞ্জ’ নামক একটি পাখীর ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে পালকের রঙও পরিবর্তন হয়..!!
14) একটি উটপাখির চোখ তার মস্তিষ্ক থেকে বড়।
15) একটি মৌমাছির ঝাঁকে ৩০,০০০ পর্যন্ত মৌমাছি থাকে!!
16) কুকুর আর বিড়ালও মানুষের মত ডানহাতি কিংবা বাহাতি হয়ে থাকে।
17) কোনো মানুষ কিন্তু নিজের শ্বাস রোধ করে নিজেকে হত্যা করতে পারে না..!!
18) ঘুম ভেঙ্গে যাবার ৫ মিনিট পরেই স্বপ্নের অর্ধেক স্মৃতি আমাদের লোপ পায়..!!
19) সিগারেটের লাইটার, ম্যাচ আবিষ্কারের পূর্বে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
20) চাঁদ যখন আমাদের মাথার সরাসরি উপরে থাকে তখন আমাদের ওজন সামান্য হ্রাস পায়।
21) অস্কার পুরস্কার যে ধাতুর তৈরি,তা দুর্লভ হওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে প্লাস্টারের অস্কার পুরস্কার দেয়া হত।
22) ১১১,১১১,১১১ X ১১১,১১১,১১১ = ১২৩৪৫৬৭৮ ৯ ৮৭৬৫৪৩২১
23) জন্মের পর থেকে আমাদের চোখের আকার সমান থাকে কিন্তু নাক কান বড় হয়।
24) ঝামা পাথর হল একমাত্র পাথর,যা অনেক সময় জলের উপর ভাসে।
25) ডলফিন একই সময়ে ঘুমাতে আর সাঁতার কাটতে পারে
26) নিজের দম বন্ধ রেখে নিজেকে মেরে ফেলা সম্ভব না।
27) পাকস্থলীকে প্রতি দুই সপ্তাহের মাঝে নতুন শ্লেষ্মার আবরণ তৈরি করতে হয়। নাহলে তা নিজে নিজেকে হজম করে ফেলতো।
28) পিঁপড়েরা কখনো ঘুমায় না।
29) পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে কম সময়ের যুদ্ধটি হয়েছিল ১৮৯৬ সালে ইংল্যান্ড আর জাঞ্জিবার এর মাঝে যুদ্ধ।
30) প্রজাপতি তার পায়ের পাতা দিয়ে স্বাদ নেয়।
31) প্রাকৃতিক মুক্তা ভিনেগারের মাঝে গলে যায়।
32) পৃথিবীর মোট বিক্রি হওয়া ৯৬ শতাংশ মোমবাতিই মেয়েরা কিনে।
33) বাজারে যে বারবি পুতুল পাওয়া যায়,তার পুরো নাম হলো বারবারা মিলিসেন্ট রবার্টস।
38) বাদুড় গুহা থেকে বের হবার সময় বাম দিকে মোড় নেয়।
35) বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হলো- ‘কারুইন বিশ্ববিদ্যালয়’, মরক্কো ।
36) ভূমিকম্প হবার সময়কালে সেখানে মথ উড়তে পারে না।
37) মধু একমাত্র খাবার,যা কখনো নষ্ট হয় না।
38) মরুভূমির উড়ো ধুলা থেকে রক্ষা করার জন্য উটের চোখের তিনটি পাতা থাকে।
39) মহিলারা দিনে গড়ে ৭ হাজার শব্দ বলে, যেখানে পুরুষরা বলে মাত্র ২ হাজার শব্দ!!
40) মানব মস্তিষ্কের ৮০ ভাগই হল জল।
41) মানুষের হাতের নখ পায়ের নখের তুলনায় ৪ গুণ দ্রুত বাড়ে।
42) মারামারি দৃশ্য ধারণের সময় ব্রুস লি এর হাত পায়ের চালনা এতটাই দ্রুত ছিল যে, ছবি নির্মাতাদের সেই দৃশ্য ধীর গতিতে রূপান্তর করা লাগত।
43) লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এর ‘মোনালিসা’ এর কোনো ভ্রু নেই।
44) শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশী হলো জিহ্বা।
45) শুক্র একমাত্র গ্রহ,যেটা ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে।
46) অ্যান্টার্কটিকাতে সবচেয়ে মোটা (প্রস্থে) বরফের টুকরাটির ব্যাসার্ধ ৩ মাইল!!
47) প্রাচীনকালে মিশরে মমি পুড়িয়ে আগুন তৈরি করা হতো। কারণ, সেখানে কাঠের সল্পতা ছিলো, কিন্তু মমির সল্পতা ছিলো না।
48) সুইজারল্যান্ডের মানুষরা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি চকলেট খায়। বছরে গড়ে প্রতিজন খায় প্রায় ১০ কেজি করে।
49) প্রতি মিনিটে পুরো বিশ্বে ৬ হাজার বা তার অধিকবার বজ্রপাত হয়!
50) আফ্রিকা মহাদেশে অন্য যে কোনো প্রাণীর আক্রমণের চেয়ে জলহস্তীর আক্রমণে বছরে বেশি মানুষ মারা যায়।
51) ফ্রেন্স ফ্রাইয়ের জন্মস্থান ফ্রান্সে নয়, বরং বেলজিয়ামে।
52) কোথাও ভ্রমণ করার সময় মানুষ টুথব্রাশ নিতে সবচেয়ে বেশি ভুলে যায়।
53) আগস্ট মাসে জন্মহার অন্য সব মাসের চেয়ে বেশি। অর্থাৎ বিশ্বে আগস্ট মাসেই সবচেয়ে বেশি জন্মদিন পালন করা হয়।
54) যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো খাবার আপনার মুখের লালার সঙ্গে না মিশে আপনি ততক্ষণ সেই খাবারের স্বাদ উপভোগ করতে পারেন না।
55) অধিকাংশ লিপস্টিক তৈরিতে মাছের আঁশ ব্যবহার করা হয়।
56) পাখিদের খাদ্য গেলার জন্য অভিকর্ষজ বলের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ কোনো পাখিকে যদি চাঁদে নিয়ে খাবার খেতে দেয়া হয়, তবে সেটি খাবার গিলতে পারবে না।
57) পৃথিবীর মোট উৎপাদিত খেলনার মধ্যে ৭০ ভাগই চীন তৈরি করে থাকে।
58) ভারতে অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি সংখ্যক পোস্ট অফিস রয়েছে।
59) ইংরেজি ‘level’ শব্দটির অক্ষরগুলো উল্টে দিলেও তা একই থাকবে।
60) ইংরেজি বর্ণমালায় সর্বাধিক ব্যাবহার করা বর্ণ হলো ‘E’ এবং সবচেয়ে কম ব্যবহার করা বর্ণ হলো ‘Q’।
61) একটি ডিমে শুধু ভিটামিন সি বাদে অন্য সব প্রকার ভিটামিন থাকে।
62) নারীদের হার্ট পুরুষদের হার্টের চেয়ে দ্রুত স্পন্দিত হয়।
63) শুধু হৃৎপিণ্ডই নয়, নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি চোখের পাতাও দ্রুত ফেলে।(প্রায় দিগুন দ্রুত)

Tuesday, May 12, 2020

ফোন চার্জে দিলে গরম হয়ে যায় কেন? এর সমাধান কী?

বর্তমান সময়ে স্মার্ট ফোন অনেক উন্নত হয়েছে।আধুনিক স্পেসিফিকেশন যুক্ত ফোন গুলিতে হিটিং প্রবলেমের সমস্যা প্রায় শেষ।তবুও কিছু কিছু কারণে চার্জ দেবার সময় ফোন গরম হয়ে ওঠে।আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যে যে কাজ গুলি করতে পারেন তা নিচে উল্লেখ করছি
১] চার্জ দেবার সময় ফোনের ব্যবহার না করা: ফোন চার্জ দেবার সময় একই সাথে ফোন ব্যবহার করা হিটিং এর অন্যতম প্রধান কারণ গুলির মধ্যে একটি।এতে আপনার ফোনের চার্জ সাইকেল এর ব্যাঘাত ঘটে।ফোনের ব্যাটারি একই সময়ে চার্জ ও ডিসচার্জ হওয়ার কারণে ফোন গরম হয়ে ওঠে।
2] ফোন ফ্লাইট মোডে রাখা:
যদি আপনি রাতের সময় আপনার ফোন চার্জে বসাচ্ছেন বা আপনার কোনো ইম্পর্ট্যান্ট কল বা মেসেজ আসার সম্ভাবনা নেই সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফোন টিকে flight mode বা aeroplane mode এ রাখতে পারেন।এক্ষেত্রে আপনার ফোনের চার্জিং টাইম কম লাগবে।ফ্লাইট মোড অন থাকা কালীন ফোনকে কানেকশন প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রসেসিং পাওয়ার খরচ করতে হয়না তাই হিটিং কম হয়। ফ্লাইট মোড এ রাখা কালীন অবস্থাতেও যদি হিটিং ইস্যু দেখা যায় তবে আপনি ফোন অফ করে চার্জ দিন।
3] একটি আলাদা চার্জিং কেবল ব্যবহার করুন: যদি দেখেন আপনি আগে যে চার্জার দিয়ে চার্জ দিতেন এখন সেই চার্জার দিয়ে চার্জ দিলেই ফোন গরম হচ্ছে তাহলে হতে পারে আপনার চার্জিং কেবলে কোনো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।আপনি নিশ্চিত হবার জন্য বন্ধুর কাছ থেকে একটি USB-Charging Cable ধার করে এনে চার্জ দিয়ে দেখতে পারেন,যদি হিটিং না হয় তবে শীঘ্রই আপনার চার্জিং কেবল বদলান।
4] অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশনস uninstall করা: আপনার ফোনে যে সমস্ত অদরকারি অ্যাপস উপস্থিত আছে সেগুলির অনেকে সবসময় ব্যাকগ্রাউন্ড এ রান হয় ও ফোন কে উত্তপ্ত করে তোলে।শুধু মাত্র চার্জিং এর সময়েই না,সাধারণ ফোন ব্যবহারের সময়েতেও এটি হিটিং প্রবলেমের সৃষ্টি করে।কোনো রকম ব্যাটারি সেভার অ্যাপ থাকলে সেটা এক্ষুনি uninstall করুন, এগুলি হিতে বিপরীত করে।
5] Quick-Charger ব্যবহার না করা: আপনার ফোন যদি QUALCOMM’s Quick Charging সাপোর্ট করে তবে আপনি বোধয় তা দিয়েই ফোন চার্জ করেন। কোথাও যেতে হলে দ্রুত চার্জ করতে এটি খুবই কাজে লাগে কিন্তু রাতের সময় যখন আপনার ফোন দ্রুত চার্জ হবার প্রয়োজন নেই তখন আপনি non-quick charger ব্যবহার করতে পারেন।