Monday, June 15, 2020

আজকাল মশারাও চালাক হয়ে গেছে। কয়েল জ্বালালে তারা কাছে ঘেঁষে না, আবার অ্যারোসল ব্যবহার করলে কিছুক্ষণ অচেতন থেকে পুনরায় উঠে আসে। কোনোটায় তেমন কাজ হয়না। তবে, হ্যাঁ, আদিকাল থেকে আমাদের পূর্বপুরুষদের সময়কার কথা বিবেচনা করলে বলা যায়, অবশ্যই মশা তাড়ানোর নানা উপায় অবলম্বন করা হতো। প্রাকৃতিকভাবে মশা তাড়ানোর সেরকম কিছু বিকল্প, যেগুলো ঔষুধি গুণাগুণের পাশাপাশি অর্ণামেন্টাল প্লান্ট হিসেবে আপনার ঘরের সৌন্দর্য বর্ধন করবে-
১। তুলসী
মশার বিরাট অপছন্দের সুগন্ধ হলো তুলসী। তাই দরজা-জানালার পাশে তুলসী গাছের উপস্থিতি মশার উপস্থিতিকে ভীষণ বিরক্ত করে।
এছাড়াও মশার কামড়ে দাগ পড়ে যাওয়া স্থানে তুলসী পাতার রস দারুণ কার্যকর।
২। ক্যাটনিপ
আপনার ঘরে যদি বিড়াল থেকে থাকে তাহলে কথাই নেই, আজই নিয়ে আসতে পারেন এটি আপনার বাসায়। এই গাছ যদি আপনার বাগানে থাকে, তবে কয়টা ডাল ভেঙ্গে সন্ধ্যার আগে দরজা-জানালার পাশে রেখে দিতে পারেন। শুধুই মশারা বিরক্ত হবে তাই নয়, অন্যান্য পোকামাকর এর উপদ্রব থেকে রেহায় দিবে আপনার ঘরকে।
৩। ফিভারফিউ
আপনার বাগানে বেশী করে ফিভারফিউ লাগান, মশা বাদে অন্যরাও আপনার আঙ্গিনার আশপাশে আসবেনা। আর প্রতিদিন সকালবেলা কয়েক গুচ্ছ ডাল এনে ঠিক ছবির মতো করে সাজিয়ে রেখে পরেরদিন সকাল পর্যন্ত রেখে আবার নতুন গুচ্ছ দিয়ে সাজিয়ে রাখবেন। এক ঢিলে ২ পাখি মারা হয়ে গেলো।
৪। লেমনবাম
বাসায় বসেই লেমন বাম গাছের টবে লাগানো যেতে পারে। অতি সহজ, কম যত্নে।
৫। রোজমেরী
অনলাইনে অর্ডার করতে পারেন। অনেকে বিশ্বাস করে, রোজমেরি অনেকটা ইউক্যালিপটাস তেলের মতো কাজ করে।
- তাছাড়া, রসুন, লেমন গ্রাস, ল্যাভেন্ডার, অরিগানো গাছের টব রাখতে পারেন।

Monday, June 8, 2020

সাহাবী গাছঃ
বিস্ময়কর ১৫০০ বছরের সাহাবি গাছ। শুনতে অবাক লাগে আজো বেঁচে আছে গাছটি। পৃথিবীতে এত পুরনো কোনো গাছ এত বছর এখনো বেঁচে আছে কি না জানিনা। আর তেমনই একটি প্রমাণ হচ্ছে সাহাবি গাছ। যাকে ইংরেজিতে বলা হয় The Blessed Tree।
সাহাবি গাছ এমনই একটি গাছ যে গাছটি অবিশ্বাস্যভাবে শত বর্গ কিলোমিটার জুড়ে বেষ্টিত মরুভূমিতে গত ১৫০০ বছর ধরে একাই দাঁড়িয়ে আছে। মরুভূমির রুক্ষ পরিবেশের কারণে জন্ম থেকেই এই গাছটি ছিল পাতাহীন শুকনো কিন্তু এক সময় আল্লাহর হুকুমে গাছটি সবুজ পাতায় ভরে উঠে এবং আজ পর্যন্ত গাছটি সবুজ শ্যামল অবস্থায় আছে।অবিশ্বাস্য এই গাছটি জর্ডানের মরুভূমির অভ্যন্তরে সাফাঈ এলাকায় অবস্থিত। জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহ সর্বপ্রথম এই স্থানটিকে পবিত্র স্থান হিসেবে ঘোষণা দেন।
৫৮২ খ্রিস্টাব্দে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর বয়স তখন ১২ বছর। তিনি তাঁর চাচা আবু তালিবের সঙ্গে বাণিজ্য উপলক্ষে তৎকালীন শাম বা সিরিয়ার উদ্দেশে মক্কা থেকে যাত্রা করেন। তাদের পরিভ্রমণের পথে তাঁরা সিরিয়ার অদূরে জর্ডানে এসে উপস্থিত হন। জর্ডানের সেই এলাকাটি ছিল শত শত মাইলব্যাপী বিস্তৃত উত্তপ্ত বালুকাময় এক মরুভূমি। মোহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর চাচা আবু তালিব মরুভূমি পাড়ি দেয়ার সময় ক্লান্ত হয়ে একটু বিশ্রামের জায়গা খুঁজছিলেন। কিন্তু আশে পাশে তারা কোনো বসার জায়গা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। চারদিকে যত দূর চোখ যায় তাঁরা তাকিয়ে কোনো বৃক্ষরাজির সন্ধান পেলেন না। কিন্তু দূরে একটি মৃত প্রায় গাছ দেখতে পেলেন। উত্তপ্ত মরুভূমির মাঝে গাছটি ছিল লতাপাতাহীন শীর্ণ ও মৃত প্রায়। শেষে উপায় না পেয়ে তারা মরুভূমির উত্তাপে শীর্ণ পাতাহীন সেই গাছের তলায় বসেন।
উল্লেখ্য, রাসূল মোহাম্মদ (সা.) যখন পথ চলতেন তখন আল্লাহর নির্দেশে মেঘমালা তাকে ছায়া দিতো এবং বৃক্ষরাজি তার দিকে হেলে পড়ে ছায়া দিতো। মোহাম্মদ (সা.) তার চাচাকে নিয়ে যখন গাছের তলায় বসেছিলেন তখন তাদের ছায়া
প্রদানের জন্য আল্লাহর নির্দেশে মৃতপ্রায় গাছটি সজীব হয়ে উঠে এবং গাছটির সমস্ত ডাল-পালা সবুজ পাতায় ভরে উঠে। আর সেই গাছটিই বর্তমানে সাহাবি গাছ নামে পরিচিত। দূরে দাঁড়িয়ে জারজিস ওরফে বুহাইরা নামে একজন খ্রিস্টান পাদ্রি সবকিছু দেখছিলেন। আবু তালিব মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে পাদ্রীর কাছে গেলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো দিন এই গাছের নিচে কাউকে বসতে দেখিনি এবং এই গাছটিও ছিল পাতাহীন কিন্তু আজ গাছটি পাতায় পরিপূর্ণ। এই ছেলেটির নাম
কি? চাচা আবু তালিব উত্তর দিলেন মোহাম্মদ! পাদ্রী আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বাবার নাম কি?’ আব্দুল্লাহ!, ‘মাতার নাম?’ আমিনা! বালক মোহাম্মাদকে (সা.) দেখে এবং তার পরিচয় শুনে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পাদ্রীর চিনতে আর বাকি রইলো না যে এই সেই বহু প্রতীক্ষিত শেষ নবী মোহাম্মদ। পাদ্রী চাচা আবু তালিবকে ডেকে বললেন, ‘তোমার সঙ্গে এই বালকটি সারা জগতের সর্দার, সারা বিশ্বের নেতা এবং সেই হবে এই জগতের শেষ নবী। আমি তার সম্পর্কে বাইবেলে পড়েছি এবং আমি ঘোষণা দিচ্ছি
এই বালকটিই শেষ নবী।’ সাহাবী গাছ সেই ১৫০০ বছর আগ থেকে আজ পর্যন্ত সেইভাবেই জর্ডানের মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে আছে। আজও গাছটি সবুজ লতা- পাতায় ভরা এবং সতেজ ও সবুজ।
আশ্চর্যের বিষয় এই যে এই গাছটি যেখানে অবস্থিত তেমন মরূদ্যানে কোনো গাছ বেঁচে থাকা সম্ভব নয় এবং এই গাছটির আশে-পাশে কয়েকশ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে আর কোনো গাছ নেই। গাছটির চারিধারে দিগন্ত জোড়া শুধুই মরুভূমি আর মরুভূমি। উত্তপ্ত বালুকাময় মরুভূমির মাঝে গাছটি একাই দাঁড়িয়ে থেকে আল্লাহর অসীম ক্ষমতার সাক্ষ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং সেই সঙ্গে প্রিয় রাসূল মোহাম্মদের (সা.) স্মৃতি আঁকড়ে ধরে রেখেছে। যা অবিশ্বাসীদের জন্য উৎকৃষ্ট নিদর্শন।

Tuesday, May 19, 2020

পৃথিবী নিয়ে কোরআনের বিস্ময়কর পাঁচ তথ্য
পবিত্র কোরআন সত্যিই একগুচ্ছ বিস্ময়ের সমষ্টি। অক্ষর থেকে শব্দ, শব্দ থেকে বাক্য অজানা সব জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্মুক্ত বিশ্বকোষ। তেমনি যে গ্রহে বসবাস করি, অর্থাৎ পৃথিবী এ সম্পর্কেও কোরআনে রয়েছে বৃহৎ তথ্যভাণ্ডার। মহান আল্লাহ বলেন, বিশ্বাসীদের জন্য পৃথিবীতে অসংখ্য নিদর্শনাবলি রয়েছে। (সুরা : জারিয়াত, আয়াত : ২৩)
তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি বিস্ময়কর তথ্য এখানে উল্লেখ করা হলো—
মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে পৃথিবীর সূচনা
খুব বেশি দিনের কথা নয় যে মানুষ জানতে পেরেছে মহাবিশ্বের সূচনা এক মহাবিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ঘটেছে। আইনস্টাইনের ক্ষেত্র সমীকরণ থেকে ফ্রিদমান সমীকরণ। তার পর বিশ্বতত্ত্ব নীতি এবং হোবল নীতি। সর্বশেষ ১৯৬০ সালে মহাজাগতিক অণুতরঙ্গের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিজ্ঞান যখন ক্লান্ত, তখন দেখা গেল আজ থেকে প্রায় এক হাজার ৫০০ বছর আগেই বিশ্বস্রষ্টা তাঁর মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে এ ব্যাপারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। 'যারা কুফরী করে তারা কি ভেবে দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমীন ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিল , অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম, আর আমি সকল প্রাণবান জিনিসকে পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। তবুও কি তারা ঈমান আনবে না?' (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৩০)
পৃথিবীর সৃষ্টি মহাকাশ সৃষ্টির আগে
মহাকাশ নাকি পৃথিবী? আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র, নাকি পৃথিবীর গাছপালা, কোনটি আগে সৃষ্টি হয়েছে? উত্তর খুঁজতে বেশি দূর যেতে হবে না। আপনার ঘরের পবিত্র কোরআন খণ্ডটি হাতে নিন। তাতে চোখ বুলালেই দেখতে পাবেন, ‘আপনি বলুন, সত্যিই কি তোমরা সেই মহাপ্রভুকে অস্বীকার করছ! যিনি পৃথিবীকে মাত্র দুদিনে সৃষ্টি করেছেন এবং তার অংশীদার নির্ধারণ করছ? তিনি তো সমস্ত জগতের প্রতিপালক। যিনি পৃথিবীতে তার উপরাংশে পাহাড় স্থাপন করেছেন এবং জমিনের ভিতরাংশ বরকতপূর্ণ করেছেন আর ভূগর্ভে সুষমরূপে খাদ্যদ্রব্য মজুদ করেছেন মাত্র চার দিনে। সব যাচনাকারীর জন্য সমানভাবে। অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন আর তা ছিল ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। (সুরা : ফুসিসলাত, আয়াত : ৯-১১) এখানে পর্যায়ক্রমে প্রথমে পৃথিবী সৃষ্টি এরপর ভূগর্ভস্থ বিষয়াবলির আলোচনার পর আসমানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পৃথিবীর পরিধি ক্রমে সংকীর্ণ হয়ে আসছে
পদার্থবিজ্ঞানীদের গবেষণামতে পৃথিবী তার সূচনালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ পানির এক-চতুর্থাংশ পানি হারিয়েছে।
বিজ্ঞানীদের ধারণামতে পৃথিবীর ভার বা ওজন (৫,৯৭২,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০) অর্থাৎ ৫ সেক্সটিলিয়ন ৯৭২ কুইন্টিলিয়ন। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে প্রতিবছর পৃথিবী তার মোট ওজন থেকে ৫০০ টন ভার হারাচ্ছে। এ ছাড়া অক্সিজেনের ভাগ প্রতিনিয়ত কমে আসাও হালের বিজ্ঞানীদের কাছে স্বীকৃত বিষয়। যা থেকে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে পৃথিবীর পরিধি ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। অন্যদিকে মহান আল্লাহ বলেন, ‘বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের বাপ-দাদাকে ভোগসম্বার দিয়েছিলাম, এমনকি তাদের আয়ুস্কালও দীর্ঘ হয়েছিল। তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে হ্রাস করে আনছি। এরপরও কি তারা বিজয়ী হবে?’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৪৪)
পৃথিবী দ্রুতগতিতে ছুটছে!
পবিত্র কোরআনে পৃথিবী স্থির কিংবা সূর্যের পাশে ঘূর্ণমান কোনোটিই বলা হয়নি। বরং এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে যা এসেছে তার সারকথা হলো, পৃথিবী আপন কক্ষপথে দ্রুতগতিতে সাঁতার কাটার মতো ঢেউ খেলে ছুটে চলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর চলন প্রকৃতি প্রধানত দুই ধরনের। প্রথমত, পৃথিবীর নিজস্ব ঘূর্ণায়ন যা ঘণ্টায় প্রায় এক হাজার ৬০০ কিলোমিটার। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘মহান আল্লাহ যিনি আসমান জমিন যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং দিনকে রাতের ওপর এবং রাতকে দিনের ওপর আচ্ছাদিত করেন।’ (সুরা : জুমার, আয়াত : ৫) আর এ কথা শিরোধার্য, কোনো বৃত্ত আকৃতির জিনিসকে অনুরূপ অন্য কোনো জিনিস দ্বারা বারবার আচ্ছাদিত করার জন্য, তা ঘূর্ণমান হওয়ার বিকল্প নেই। দ্বিতীয়ত, সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর সন্তরণ। বহুকাল যাবৎ মানুষ এ ধারণা পোষণ করে আসছে যে পৃথিবী সূর্যের পাশে ঘূর্ণমান। তবে খুব সাম্প্রতিক সময়ে মহাকাশ গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন যে সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর চলার ধরনটাকে ঘূর্ণন শব্দে ব্যাখ্যা করা যথাযথ নয়। বরং পৃথিবীসহ আরো অনেক গ্রহ উপগ্রহ সর্বদা সূর্যকে ঘিরে সাঁতার কাটার মতো ওপর-নিচ ঢেউ তুলে সম্মুখপানে অগ্রসর হচ্ছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে চন্দ্র, সূর্যের আলোচনা টেনে বলেন, প্রত্যেকেই আপন কক্ষপথে সন্তরণ করছে। (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৪০)
পৃথিবীর নিচে বিপুল পানির উৎস
টিউবওয়েল চেপে পানি তুলছেন কিংবা পাম্পের সাহায্যে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন ভূগর্ভের এই বিপুল পরিমাণ পানির উৎস কোথায়? তাহলে জেনে নিন, মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি আকাশ থেকে পরিমিতভাবে পানি বর্ষণ করেছি। অতঃপর আমি তা যমীনে সংরক্ষণ করেছি। আর অবশ্যই আমি সেটাকে অপসারণ করতেও সক্ষম।' (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ১৮)

কী করে গলায় আটকানো খাবার বা অন্য কোনো বস্তু চটজলদি বের করা যায়

হেমলিচ ম্যানুয়েভার
রেস্টুরেন্টে খেতে বসেছেন। পাশের লোকটি হুট করে কাশতে শুরু করেছে। পড়ি-মরি করে দম নেয়ার চেষ্টা করছে।
মাংসের টুকরো আটকে গেছে তার শ্বাসনালীতে। হাঁসফাঁস করছে শ্বাস নেয়ার জন্য। মনে হচ্ছে না ডাক্তার ডাকার সময় দিবে। এখন উপায়?
১৯৭৪ সালে ডঃ হেনরী হেমলিচ প্রথম দেখান কী করে গলায় আটকানো খাবার বা অন্য কোনো বস্তু চটজলদি বের করা যায়। তার নামানুসারে এ প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয় হেমলিচ ম্যানুয়েভার।
কীভাবে করবেন?
  • লোকটির পিছন দিক দিয়ে কোমরের চারপাশে দু'হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন।
  • একহাতে মুঠো বন্ধ করে, আপনার বুড়ো আঙুলের দিকটা লোকটির পাঁজরের নিচে, ঠিক পেটের উপরের দিকে চেপে ধরুন।
  • অন্য হাতটি মুঠোর উপর রেখে লোকটির পেটের উপরিভাগে জোরে চাপ দিন।
  • যতক্ষণ না খাবারের টুকরো বা বস্তুটি মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসছে ততক্ষণ করতে থাকুন।
হাহ! লোকটি সে সময়ও দিলো কই! এর মধ্যেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। এখন কী করা?
  • চিৎ করে শুইয়ে দিন।
  • কোমরের দু দিকে হাঁটু মুড়ে বসে পড়ুন।
  • একটা হাতের ওপর আরেকটা হাত রেখে তার পেটের উপর দিকে ঠিক পাঁজরের নিচে, চেপে ধরুন।
  • তারপর দু'হাত একইভাবে রেখে দ্রুত চাপ দিতে থাকুন।
  • বের না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই করতে থাকুন।
ছোট বাচ্চা হলে কি আর এভাবে জোরে জোরে চাপ দেয়া যাবে?
  • বাচ্চাটিকে শক্ত কিছুর উপর শুইয়ে দিন। নিজের কোলেও বসাতে পারেন।
  • দু'হাতের তর্জনী ও মধ্যমা একসাথে শিশুটির পাঁজরের নিচে এবং নাভীর উপর রাখুন।
  • ওভাবে দু'হাতের আঙ্গুল দিয়ে একসাথে পেটের উপরিভাগে চাপ দিতে থাকুন।
  • বের না হওয়া পর্যন্ত করতে থাকুন।
হুম, সবার গলা তো সাফ হল। এখন নিজের গলায় আটকালে, অন্য কেউ কখন আপনার উপর 'হেমলিচ ম্যানুয়েভার' চালাবে তার জন্য অপেক্ষা করবেন?
  • এক হাতে মুঠো বন্ধ করে, মুঠোর বুড়ো আঙুলের দিকটা আপনার পাঁজরের নিচে, নাভীর ঠিক উপরে চেপে ধরুন।
  • অন্য হাতটি মুঠোর উপর রেখে পেটের উপরিভাগে জোরে চাপ দিন।
  • বস্তুটি বের না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যান।
আরেকভাবে করতে পারেন :
  • কোনো চেয়ার, টেবিল বা শক্ত কিছুর উপর ভর দিয়ে ঝুঁকে দাঁড়ান।
  • পেটের উপরিভাগ দিয়ে চেয়ারের উপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকুন।
  • বস্তুটি বের না হওয়া পর্যন্ত করতে থাকুন।
চিত্রসূত্র : গুগল
আমি সাধারণত অনেক কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করি। একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হয়তো মাউস ই প্রধানত ব্যবহার করে থাকেন, আবার কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করলেও তা কেবল Cntrl+C আর Cntrl+V এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু এরকম কিছু কীবোর্ড শর্টকাট আছে যা হয়তো অনেকেই জানে না, কিন্তু সেগুলো জানা থাকলে আমার মতে কম্পিউটার ব্যবহার করা অনেক বেশি সহজসাধ্য হবে।
১। সাইড বাই সাইড উইন্ডো ভিউঃ অনেক সময়ই এমন হয় যে আমাদের একসাথে দুইটা (বা তারও বেশি) সফটওয়্যার চালানো প্রয়োজন হয়ে পরে। এই পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই উইন্ডোজের বিশেষ সুবিধা হলো এই সাইড বাই সাইড ভিউ। এটা ব্যবহার করতে আপনি শুধু উইন্ডোজ কী+যেকোন এরো কী একসাথে প্রেস করবেন। নিচের স্ক্রিনশটে আমি একসাথে ব্রাউজার এবং ফটোশপ ব্যবহার করার নমুনা দেখালাম।
২। দ্রুত একটা সফটওয়্যার থেকে আরেকটা তে যাওয়াঃ এজন্যে একসাথে Alt+Tab প্রেস করুন। এতে করে দ্রুত আগের ব্যবহার করা সফটওয়্যার এ ফেরত যেতে পারবেন।
৩। ব্রাউজারে ভুলবশত কেটে দেওয়া ট্যাব ফেরত আনাঃ ব্রাউজারে হঠাৎ ভুলবশত কোন ট্যাব কেটে দিলে Cntrl+Shift+T একসাথে প্রেস করলেই কেটে দেওয়া ট্যাব টি ফেরত চলে আসবে।
৪। একসাথে সবগুলো উইন্ডো মিনিমাইজ করাঃ দ্রুত সবগুলো উইন্ডো একসাথে মিনিমাইজ করার জন্যে WIndows key+D প্রেস করুন বা টাস্কাবারের সবথেকে ডান কোণায় মাউস দিয়ে ক্লিক করুন।
৫। উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার ওপেন করার জন্যে Windows key+E প্রেস করুন।
৬। দ্রুত কম্পিউটার লক করে ফেলতে Windows key+L প্রেস করুন।
৭। যেকোন সফটওয়্যার কে টার্মিনেট করার জন্যে Alt+F4 প্রেস করতে পারেন।
৮। টাস্ক ম্যানেজার নিয়ে আসার জন্যে Cntrl+Shift+Esc একসাথে প্রেস করুন। এই শর্টকাট কোন সফটওয়্যার রেসপন্স না করলে বেশ কাজে দেয়।
ঠিক কীবোর্ড শর্টকাট না হলেও আরেকটা ফিচার বেশ উপকারী। তা হলো কোন নির্দিষ্ট শব্দ সিলেক্ট করতে হলে ঐ শব্দের উপরে মাউস রেখে ডাবল ক্লিক করলেই সেটা সিলেক্ট হয়ে যায়। আবার পরপর তিনটা ক্লিক করলে ঐ বাক্যটি সিলেক্ট হবে।
প্রায় ৯৩ হাজার বন্দী পাকিস্তানি-দের কপালে খুব খারাপ কিছু ঘটেনি । কারণ তাদের-কে ঐতিহাসিল 'শিমলা' চুক্তির মাধ্যমে ভারত থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয় ।
এবার আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে এই 'শিমলা' চুক্তি আবার কি ? তাহলে চলুন বিস্তারিত জানা যাক -
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী ভারতীয় বাহিনীর নিকট অস্ত্র জমার মাধ্যমে পরাজয় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করে । তখন-ই পাকিস্তানি প্রায় ৯৩ হাজার বাহিনী ভারতের কাছে বন্দী হয়।
যুদ্ধের পরজায়কালীন সময়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ইয়াহিয়া খান । কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানে (বাংলাদেশে) তার সেনাদের পরাজয়ে সমস্ত পাকিস্তান জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং ইয়াহিয়া খানেকে ক্ষমতাচ্যুত করে গ্রেফতার করা হয়। এবং তখন ক্ষমতায় বসেন জুলফিকার আলী ভুট্
পাকিস্তানের জনগণ তখন তাদের বন্দী সেনাদের জীবিত ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে পরে এবং জুলফিকার আলী ভুট্টোর উপর জনগণ এবং বন্দী সেনাদের পরিবারের চাপ বাড়তে থাকে ।
জনগণের চাপ এবং ক্ষোভে ভারতের সাথে সম্মেলন এর বার্তা ভুট্টো নিজেই প্রদান করেন । ২-৩ জুলাই পাক-ভারত শীর্ষ সম্মেলন এবং চুক্তি ও স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয় ভারতের হিমাচল প্রদেশ এর 'শিমলা' নামক শহরে । মূলত এ থেকেই ঐতিহাসিল এ চুক্তির নাম হয় 'শিমলা চুক্তি' ।
শিমলা চুক্তির বিষয় :
  • শিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানী ৯৩ হাজার বন্দী সেনাদের ভারত ছেড়ে দিল , এই শর্তে যে তাদের বিচার পাকিস্তান নিজেই করবে যারা পূর্বপাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন অপরাধে জড়িত ছিল ।
  • দুই দেশ সম্মিলিত ভাবে নির্ণয় করলো ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে সর্বশেষ পাকিস্তান আর্মি ভারতীয় সেনাদের নিকট অস্ত্র সমর্পনের মাধ্যমে কাশ্মীর সীমান্তে যাদের সৈনিক যে অবস্থান গ্রহণ করেছে সেই সেই দেশের সীমানা মানা হবে । এই সীমানাকে ভারত পাকিস্তান এল.ও.সি বা লাইন আব কন্ট্রোল মেনে নিল ।
  • উপরন্তু, পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে ভারতীয় সৈনিক দ্বারা কজ্বাকৃত সীমানা ভারত ছেড়ে দিল বিনা শর্তে ।
  • ভবিষ্যতে ভারত পাকিস্তান কোন সমস্যা সমাধানে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা থেকে দুই দেশই বিরত থাকবে ।
  • দুই দেশর সেনারা কোন ভাবেই এল.ও.সি সীমানা অতিক্রম করবেনা ।
  • সাধারণ জনগণের আসা যাওয়ার জন্য বর্ডার থাকবে যাতে করে দুই দেশের জনগণের আত্বীয় পরিজনের সাথে মিলিত হতে পারে।

Sunday, May 17, 2020

  1. প্রেমের জ্বালে ফেঁসো না!
  2. শারীরিক সঙ্গম আনন্দের
  3. আর আনন্দ ক্ষণস্থায়ী
  4. সাময়িক আনন্দের উদ্দেশ্যে কারও জীবন ধ্বংস করোনা।
  5. শুধু এজন্যই সম্পর্কে যেও না, কেননা তোমার বন্ধুরাও সম্পর্কে আছে!
  6. বাস্তববাদী হও
  7. একতরফা প্রেম একটা ফাঁদ!
  8. ক্যারিয়ার প্রাধান্য দাও
  9. সবকিছুতে ভারসাম্য রাখো!
  10. সব উক্তিতে অন্ধবিশ্বাস কর না।
  11. সকল মানুষ বিশ্বাসযোগ্য নয়!
  12. কারোও প্রতিই অন্ধবিশ্বাস রেখোনা
  13. রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত নিও না
  14. সুখের উল্লাসে প্রতিশ্রুতি দিও না
  15. আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখ
  16. জোর করে কাউকে ধরে রেখো না
  17. জোর করা প্রেম/বন্ধুত্ব বেকার
  18. খাঁটি বন্ধুত্ব আর নেই (বুদ্ধি দিয়ে মানুষ যাচাই করো)
  19. তার সাথেই থাকো, যে তোমার পিছনে আছে!
  20. শুধু টাকার পিছনেই ছুটো না
  21. বাইরে থেকে দেখেই কাউকে পরখ করো না।
  22. তারিফ করতে শেখ
  23. নেগেটিভিটি থেকে দূরে থাকো (স্বজনপ্রীতি!)
  24. পিতা-মাতাকে শ্রদ্ধা কর।
  25. লক্ষ্যকে অনুসরণ কর।
  26. প্রতিদিন শরীরচর্চা কর।
  27. কেউ এড়িয়ে চলেছে? তাকে কখনোই আর বিরক্ত করোনা।
  28. দূরে সরেছে? দূরে যেতে দাও
  29. ইগনোর করেছে? আজীবনের জন্য যোগাযোগ বন্ধ করো
  30. কান্না করতে চাও? মন খুলে কান্না কর।
  31. আত্মবিশ্বাসকে পরখ করো না, যদি তুমিই সত্য হও।
  32. খোলা মনের হতে শেখো
  33. মনোযোগী হও ( যদিও বিষন্নতা পুরোপুরি দূর হয় না )
  34. লক্ষ্যকে ছোট না করে, চেষ্টাকে বাড়িয়ে দাও
  35. প্রয়োজনানুসারে হৃদয় ও মষ্তিষ্ককে কাজে লাগাও
  36. বন্ধুত্বের সার্কেল ছোট রাখো
  37. ইটস্ ওকে, যদি মন ভেঙে যায়
  38. পিছু ছুটো স্বপ্নের, মেয়েদের নয় ( মেয়ে হারিয়ে যাবেনা, সময় হারাবে)
  39. জ্ঞান শেয়ার করো, তবে ফ্রি নয় (ফ্রি জ্ঞানের কদর নাই)
  40. কথা কম বলো,শুনতে শেখো এবং তৎপর হও!
  41. অন্যের কাজে নাক গলিও না!
  42. শখের কিছু দক্ষতা অর্জন কর
  43. সে তোমাকে ইন্সটাগ্রামের ছবি দেখিয়ে আকৃষ্ট করতে চাইবে, তবে ছবি দেখতে তুমি বেছে নাও তার আইডি কার্ড 😁
  44. শেখ
  45. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবহারিক হও
  46. ইংরেজীর পাশাপাশি একাধিক ভাষা শেখ।
  47. টিকটক শুধুই সময় খরচের মাধ্যম
  48. পরিশ্রমে বিশ্বাসী হও, ভাগ্যে নয়!
  49. ভাগ্য ০.০০০০০১ % মাত্র
  50. ব্রেইনের খাদ্য হিসেবে বই বেছে নাও।
  51. জ্ঞানই সর্বাপেক্ষা উত্তম অস্ত্র!
  52. নামাজই সর্বাপেক্ষা উত্তম পরিশ্রম।
  53. পড়া-লেখা সর্বোৎকৃষ্ট অভ্যাস, যেটা রপ্ত করতে পারো!
  54. এই পোস্ট ডাউনভোট করবেন, যদি উপরের পয়েন্ট গুলো মিথ্যে হয় 😀
  55. আপভোট করবেন যদি সামান্যও ভালো লাগে 😋
  56. ভুল করেও ভাববেন না যে আমি উপরের পয়েন্টগুলোর সাথে পুরোপুরি মিলে যাই। কেননা "চোরে শুনেনা ধর্মের কাহিনী😆